ইফতারের দোয়া

রমজান মাস আমাদের জন্য বরকতময় মাস, রহমতের মাস, নেয়ামত ,মাগফিরাত, নাজাতের মাস।এ মাসে আল্লাহ তায়ালা আমাদের মুসলমানদের জন্য অসংখ্য নেয়ামত রেখেছেন তার মধ্যে রোজা, তারাবি নামাজ, ইফতারি, সেহরী এবং প্রতিটা কাজে ৭০ গুন বেশি বেশি সওয়াব। আপনি কাউকে ১ টাকা দান করেন আল্লাহ আপনাকে ৭০ টাকা দান করার সওয়াব দিবে। একটি ভালো কাজের নিয়ত করলে ৭০ টি ভালো কাজ করার নিয়তের সওয়াব পাবেন। একটি কথা- আপনার আল্লাহ এতো এতো দয়াবান যে আপনি একটি ভালো কাজের নিয়ত করা মাত্রই তা আপনার আমলনামায় উঠিয়ে দেয়- সুবহানাল্লাহ 

রমজান মাসের সবগুলো ইবাদত ,নেয়ামতের মধ্যে ইফতার অন্যতম। সারাদিন রোজা রেখে, কাজ করে প্রচন্ড পানির তৃষ্ণা লাগলেও কেউ একটু পানি খায় নাহ কারন তারা সবাই আমাদের সৃষ্টিকর্তা আল্লাহকে এবং প্রিয় নবীকে ভালোবাসে।

সারাদিনের ক্লান্তি এবং তৃষ্ণা নিয়ে যখন ইফতার সামনে নিয়ে বসা হয় তখনি বুঝা যায় আল্লাহ দেয়া রহমত পানি আমাদের জন্য কত বড় নেয়ামত। সেই মুহুর্তে ইফতারে যখন পানি মুখে নেওয়া হয় তখন যে শান্তি লাগে সেটা বলে বুঝানো যায় না।

ইফতারের দোয়া 

بِسْمِ الله – اَللَّهُمَّ لَكَ صُمْتُ وَ عَلَى رِزْقِكَ اَفْطَرْتُ

উচ্চারণ : ‘বিসমিল্লাহি আল্লাহুম্মা লাকা সুমতু, ওয়া আ’লা রিযক্বিকা আফত্বারতু।

অর্থ : ‘আল্লাহর নামে (শুরু করছি); হে আল্লাহ! আমি তোমারই জন্যে রোজা রেখেছি এবং তোমারই দেওয়া রিজিক দ্বারা ইফতার করছি। (আবু দাউদ মুরসাল, মিশকাত)

ইফতার করার দোয়া
ইফতার করার দোয়া

ইফতারের সময় যেসব কাজ করবেন।

১,ইফতার সামনে নিয়ে আগে আগে বসা 

২, দুরুদ শরীফ পড়া

৩,মনে মনে জিকির করা

৪, পরিবারের সকলকে সাথে নিয়ে ইফতার সামনে নিয়ে মোনাজাত করা।

৫,অহেতুক কথা না বলা।

৬,খেজুর দিয়ে ইফতার করা।

৭,যাদের সামনে পর্দা করা ফরজ তাদেরকে সাথে নিয়ে ইফতার না করা।

৮,ইফতার দ্রুত করে মাগরিব নামাজ সময় মতো আদায় করা এবং নামাজ শেষ করে আহার প্রয়োজন হলে করা।

৯,ইফতার সময় নিয়ে খেতে গিয়ে নামাজ মিস না করা।

১০,আশেপাশে গরীবদের প্রতি লক্ষ্য রাখা।

১১,ইফতার শেষে বিশ্রাম নিয়ে তারাবি নামাজের জন্য প্রস্তুতি নেওয়া।

ইফতারের সময় যেসব কাজ হতে বিরত থাকবেন।

আমরা ইফতারের সময় অনেক অহেতুক কথা বলি , কেউবা টিভি চালিয়ে রাখি,মোবাইল টিপি।এ কাজগুলোর জন্য আমরা ইফতারের সময়ের ফজিলত হতে বঞ্চিত হতে পারি।সুতরাং, আমাদেরকে এ কাজগুলে হতে বিরত থাকতে হবে।

Leave a Comment