ফ্রিল্যান্সিং কি

ফ্রিল্যান্সিং কি? ফ্রিল্যান্সিং কাজ সমূহ কি? Best Guidelines 2022

Spread the love

ফ্রিল্যান্সিং কি? ফ্রিল্যান্সিং কাজ সমূহ কি? বিস্তারিত জেনেনিন

ফ্রিল্যান্সিং করার আগে আপনাকে ফ্রিল্যান্সিং সম্পর্কে সম্পূর্ণ ধারনা থাকতে হবে এবং ফ্রিল্যান্সিং এর কাজ সমূহ জানার আগে আপানাকে জানতে হবে ফ্রিল্যান্সিং কি? এটা কিভাবে করে এবং কোথায় করতে হয়। বর্তমানে ফ্রিল্যান্সিং একটি জনপ্রিয় শব্দ। খুব অল্প দিনেই ফ্রিল্যান্সিং পেশা সকলের মাঝে ছড়িয়ে পড়েছে। অল্প কিছুদিন আগেও এই ফ্রিল্যান্সিং পেশা টা এতটা জনপ্রিয় ছিল না।

কিন্তু ফ্রিল্যান্সিং এর কাজ সমূহ কি কি অনেকেই জানে না শুধু তাই নয় ফ্রিল্যান্সিং কি সেটাই অনেকে জানে না। ফ্রিল্যান্সিং মানে হলো মক্ত পেশা। মানে আপনি হবেন আপনার বস। আপনি আপনার ইচ্ছে মতো কাজ করতে পারবেন। আপনার বাসায় বসেই আপনি দূর দেশের কাজ করতে পারবেন আপনার কম্পিউটারের মাধ্যমে। এটাকে আউটসোর্সিং ও বলে।  

ফ্রিল্যান্সিং কি এবং এটা কেনো এতো জনপ্রিয়? জনপ্রিয়তা বাড়ার পেছনে অনেকগুলো কারণ রয়েছে। কারণ ফ্রিল্যান্সিং একটা মুক্তপেশা। আপনি ঘরে বসেই এই পেশার কাজগুলো করতে পারবেন। এই কারণেই ফ্রিল্যান্সিং পেশাটা এতটাই জনপ্রিয়।

কিন্তু নতুন যারা ফ্রিল্যান্সিং পেশায় যুক্ত হতে চায়, তারা অনেকেই ফ্রিল্যান্সিং কি, ফ্রিল্যান্সিং এর কাজ সমূহ কি, ফ্রিল্যান্সিং কিভাবে শুরু করব ও ফ্রিল্যান্সিং কিভাবে শিখবো এই বিষয়গুলো জানে না।কিন্তু ফ্রিল্যান্সিং শুরু করার আগে এই বিষয়গুলো আপনার জানা খুবই দরকার। কারণ ফ্রিল্যান্সিং কাজ করার সময় এই বিষয়গুলো নিয়ে আপনাকে কাজ করতে হবে।

আপনি যেকোন পেশাতেই কাজ করতে ইচ্ছুক হন না কেন, আগে সেই পেশাটা সম্পর্কে সকল কাজকর্ম সম্পর্কে আগে জানতে হবে। তেমনি ফ্রিল্যান্সিং এ আসার আগে এগুলো জানা অপরিহার্য। 

ভয় পাওয়ার কোন কারণ নাই, আজকে আমরা ফ্রিল্যান্সিং এর কাজ সমূহ, ফ্রিল্যান্সিং কিভাবে শিখবোফ্রিল্যান্সিং কোথায় শিখবো এ সম্পর্কে পূর্ণাঙ্গ ধারণা দিব। অবশ্যই যদি ফ্রিল্যান্সিং বিষয়ে আগ্রহী হয়ে থাকেন, তাহলে নিচের আর্টিকেলটি খুবই মনোযোগ সহকারে পড়বেন।

যেসব বিষয় গুলো জানতে পারবেনঃ

ফ্রিল্যান্সিং কী? what is freelancing

ফ্রিল্যান্সিং এর কাজ সমূহ জানা আগে, ফ্রিল্যান্সিং কি এই বিষয়টা আগে জানতে হবে। ফ্রিল্যান্সিং একটি নিত্য নতুন শব্দ। ফ্রিল্যান্সিং অর্থ মুক্ত পেশা। সহজ কথায় বলতে গেলে, ঘরে বসে নিজের ইচ্ছামত সময় দিয়ে কাজ করাকে ফ্রিল্যান্সিং বলে। এই পেশাতে আপনি নিজের বস নিজেই, কোন অফিসে গিয়ে কাজ করতে হবে না, ঘরে বসেই ইন্টারনেট কানেকশনের মাধ্যমে কাজ করতে পারবেন। 

ফ্রিল্যান্সিং এর কাজ সমূহ

ফ্রিল্যান্সিং কি বিষয়টা এখন পরিষ্কার। এখন আপনার জানা প্রয়োজন ফ্রিল্যান্সিং এর কাজ সমূহ কি কি আর ফ্রিল্যান্সিং কি এটাতো এখন জেনেই গেছেন। এই পেশায় আসলে আমাকে কি কি কাজ শিখতে ও জানতে হবে। ফ্রিল্যান্সিং বলতে শুধু টাকা ইনকাম থাকলে কথা কিন্তু সত্য নয়। অবশ্যই আপনাকে কাজ করে টাকা ইনকাম করতে হবে।

ফ্রিল্যান্সিং পেশা যখন আগমন ঘটে, তখন সবাই মনে করতো এটা মিথ্যা কোনো প্রফেশন। বাংলাদেশের মানুষ ফ্রিল্যান্সিং পেশা বিশ্বাসী করতো না। কিন্তু আমাদের দেশে যখন কিছু তরুণ সফলতার দিকে এগিয়ে যায়। তখন থেকেই এই পেশাটা আগ্রহ অনেক বেড়ে যায়।

দিন দিন এই পেশাটা চাহিদা ও জনপ্রিয়তা বেড়েই চলেছে। ছাত্র থেকে শুরু করে শিক্ষক গৃহিণী ও বয়স্ক মানুষ এই পেশার প্রতি আগ্রহ। আসুন জেনে নেই, ফ্রিল্যান্সিং এর পপুলার কাজ সমূহ কি কি। ফ্রিল্যান্সিং কি কি কাজ আছেঃ 

  • গ্রাফিক ডিজাইন
  • ডিজিটাল মার্কেটিং
  • ওয়েব ডিজাইন
  • আর্টিকেল রাইটিং
  • অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং
  • অ্যাপ ডেভেলপমেন্ট

এখানে এ কাজগুলো নিয়ে কিছু ধারনা দেওয়া হলো

Read more: নগদ একাউন্ট সম্পর্কে বিস্তারিত – নগদ একাউন্টের সুবিধা 

গ্রাফিক্স ডিজাইন

ফ্রিল্যান্সিং এর কাজ সমূহ এর মধ্যে গ্রাফিক ডিজাইন অন্যতম। ফ্রিল্যান্সিং এ যারা কাজ শিখতে আসে তারা বেশিরভাগই গ্রাফিক ডিজাইন পেশাটাকে বেছে নেয়। কারন গ্রাফিক ডিজাইনের যেমন চাহিদা আছে তেমন ইনকামও বেশি হয়।

গ্রাফিক্স ডিজাইন শেখার আগে, গ্রাফিক্স ডিজাইন কি এটা জানা দরকার। গ্রাফিক্স ডিজাইন হলো একটি শিল্প বা আর্ট। নিজের ধারণা ও চিন্তাভাবনা থেকে নতুন কোন শিল্প আঁকাকে গ্রাফিক্স ডিজাইন বলে। যারা গ্রাফিক্স ডিজাইন করে তাদেরকে graphic-designer বলা হয়।

টাকা ইনকাম করার ওয়েবসাইট গুলো কি কি- জানুন

আপনার যদি আঁকাআঁকি পছন্দ হয় বা আকাশে করতে ভালোবাসেন। সে ক্ষেত্রে গ্রাফিক্স ডিজাইন পেশাটি বাছাই করতে পারেন। এছাড়াও যদি গ্রাফিক্স ডিজাইনে প্রতি দক্ষতা ও আগ্রহ থাকে। তাহলে গ্রাফিক্স ডিজাইন আপনার জন্য। গ্রাফিক ডিজাইন এর মধ্যেও কয়েকটা সেক্টর রয়েছে।

লোগো ডিজাইন, ব্যানার ডিজাইন, পোস্টার ডিজাইন, ফেসবুক পোস্ট ডিজাইন, ইন্সট্রাগ্রাম পোস্ট ডিজাইন ও টুইটার পোস্ট ডিজাইন ইত্যাদি।কিন্তু গ্রাফিক্স ডিজাইন পেশায় লোগো ডিজাইন ও ব্যানার ডিজাইন সবথেকে বেশি জনপ্রিয়। এই দুইটা কাজের অর্ডার সবথেকে বেশি আসে। ডিজাইনের ভবিষ্যৎ চাহিদা অনেক বেশি।

কারণ প্রত্যেকটা কোম্পানির জন্য একটা লোগো ও ব্যানারের দরকার হয়। লোগো ও ব্যানার ছাড়া কোম্পানির প্রচার করা সম্ভব না। কোম্পানির মালিক যখন লোগো ও ব্যানার তৈরি করতে যাবে, তখন একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনার দরকার হবে। তাই গ্রাফিক্স ডিজাইনার চাহিদা অনেক বেশি।

ফ্রিল্যান্সিং এর কাজ ডিজিটাল মার্কেটিংফ্রিল্যান্সিং কি

ডিজিটাল মার্কেটিং হল ইলেকট্রনিক মাধ্যমে পণ্য/ প্রডাক্ট প্রচার করা। ইলেকট্রনিক মাধ্যম বলতে গুগোল, ইউটিউব, ফেসবুক, টুইটার ইনস্টাগ্রাম কে বোঝানো হয়েছে। ফ্রিল্যান্সিং পেশার মধ্যে ডিজিটাল মার্কেটিং অনেক জনপ্রিয়।

ডিজিটাল মার্কেটিং এর অনেকগুলো সেক্টর রয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং, সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন, ইউটিউব মার্কেটিং, ইমেইল মার্কেটিং ও আর্টিকেল রাইটিং ইত্যাদি।ডিজিটাল মার্কেটিং এর চাহিদা এখন অনেক বেড়ে গেছে। কারণ বর্তমানে সবাই হাতে মোবাইল ফোন। টেলিভিশন অনেক কম দেখা হয় এখন। ইউটিউব ফেসবুকের মধ্যে ডুবে থাকি সারাক্ষণ। 

তাই সকল কোম্পানি, তাদের প্রোডাক্ট এর প্রচার করতে চায় ইউটিউব, গুগোল ও ফেসবুকে। বর্তমান সময়ে সময়ে অনলাইনে কেনাকাটা করে থাকে। অনলাইনে ব্যবসা করার ডিজিটাল মার্কেটিং এর অন্তর্ভুক্ত। ডিজিটাল মারকেটিং এর জন্য খালিদ ফারহানকে ফলো করতে পারেন। 

কিভাবে মাসে ২০ হাজার টাকা ইনকাম করতে পারবেন জেনেনিন

ই-কমার্স ব্যবসাকে এখন অনেক প্রাধান্য দেওয়া হয়। কারণ অনলাইনে শপিং করার অনেক সুবিধা রয়েছে। কারণ অনলাইনে কেনাকাটা করতে ঘরের বাইরে যেতে হয় না। অনলাইনে কোন পণ্য অর্ডার করলে মুহূর্তের মধ্যেই হোম ডেলিভারি হয়ে যায়। কোন পণ্য যদি খারাপ/পছন্দ না হয়, ফেরত দেওয়ার অপশন রয়েছে।

এ কারণেই অনলাইন ব্যবসা এখন অনেক গুরুত্বপূর্ণ।ডিজিটাল মার্কেটিং সেক্টর এর মধ্যে অন্যতম হলো সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং। সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং বলতে ফেসবুক, টুইটার, ইনস্টাগ্রাম ও পিন্টারেস্ট মার্কেটিং বুঝায়। পৃথিবীর যাদের হাতে এন্ড্রয়েড ফোন রয়েছে, তাদের ৯০% মানুষ সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করে থাকে। তাই কোন কোম্পানির প্রচার করার জন্য এই সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম গুরুত্বপূর্ণ।

বর্তমানে সোশ্যাল মিডিয়া গুলো ছাড়া কোন পণ্যের মার্কেটিং করা অসম্ভব। তাই আপনি ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ার গড়তে চাইলে, ডিজিটাল মার্কেটিং দাঁড়াও শুরু করতে পারেন।

ফ্রিল্যান্সিং এর কাজ ওয়েব ডিজাইনফ্রিল্যান্সিং কি

ওয়েব ডিজাইন হলো ওয়েবসাইটের নকশা বা কাঠামো। আপনি আমার ওয়েবসাইটে এই আর্টিকেলটি পড়ছেন। এই ওয়েবসাইট এর উপরে বিভিন্ন রকম অপশন রয়েছে।

আবার আপনি যদি অন্য একটা ওয়েবসাইটে গিয়ে কোন একটা আর্টিকেল পড়েন। ওই ওয়েবসাইটে আরেক রকম ডিজাইন থাকবে। এরকম ওয়েবসাইটের ডিজাইন/নকশা কে web-design বলা হয়। যারা এরকম ওয়েবসাইটের কাঠামো/নকশা তৈরি করে থাকে তাদেরকে ওয়েব ডিজাইনার বলে।নতুন যারা ফ্রিল্যান্সিং শুরু করে তারা অনেকেই ওয়েব ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট শিখতে চায়।

কিন্তু ওয়েব ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট শিখতে হলে আপনাকে দীর্ঘ দিন সময় দিতে হবে। কারণ ওই ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট শিখতে হলে আপনাকে অনেকগুলো প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ জানতে হবে। যে সকল ল্যাঙ্গুয়েজ দ্বারা ওয়েবসাইট তৈরি হয় তাকে প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ বলে।

টাকা ইনকাম করার সহজ উপায় বাংলাদেশে

প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজের মধ্যে রয়েছে এইচটিএমএল, পিএইচপি, জাভাস্ক্রিপ্ট, ওয়াডপ্রেস ইত্যাদি। এই কয়েকটি ল্যাঙ্গুয়েজ ওয়েব ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট এর জন্য অনেক দরকার। ওয়েব ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট দুটি এক বিষয় নয়।

একটা ওয়েবসাইট এর নকশা ও কাঠামো তৈরি করাকে ওয়েব ডিজাইন বলে। ওয়েব ডিজাইন করা এমন ওয়েব সাইটের বিভিন্ন রকম কাজ করাকে ওয়েব ডেভেলপমেন্ট বলে।কিন্তু ওয়েব ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট একে অপরের পরিপূরক। ওয়েব ডিজাইন শিখতে গেলে ডেভলপমেন্ট আপনাকে জানতেই হবে। আবার ওয়েব ডেভেলপমেন্ট শিখতে চাইলে ওয়েব ডিজাইন জানা অপরিহার্য।

ওয়েব ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট এর ভবিষ্যত ক্যারিয়ার অনেক ভালো। কারণ ওয়েব ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট চাহিদা বর্তমানে প্রচুর। ওয়েব ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট শিখতে আপনার ছয় মাস লাগবে। প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ ও ওয়েব ডিজাইনের কাজ গুলো ইউটিউব এ গুগলের মাধ্যমে শিখতে পারেন।

ফ্রিল্যান্সিং এর কাজ আর্টিকেল রাইটিং

ফ্রিল্যান্সিং এর কাজ সমূহের মধ্যে সবথেকে সহজ কাজ হল আর্টিকেল রাইটিং। কারণ আর্টিকেল রাইটিং অ্যান্ড্রয়েড ফোন থেকে শুরু করে ল্যাপটপ কম্পিউটার ও নোট প্যাডে লেখা যাবে। যখন তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার কম ছিল। তখন আর্টিকেল রাইটিং পেশাটা অনেক কঠিন ছিল।

কারন মানুষ খবরের কাগজ ও বইপত্রের জন্যই আর্টিকেল লিখতো। তখন আর্টিকেল রাইটিং এর চাকরি পাওয়া সহজ ছিল না।কিন্তু এখন আর্টিকেল রাইটিং এর চাকরি পাওয়া অনেক সহজ। একজন ভাল মানের আর্টিকেল রাইটার খোঁজে আছে অনেক মানুষ। বর্তমান সময়ে আর্টিকেল রাইটিং কাজগুলো ব্লগপোস্ট, ফেসবুক পোস্ট, প্রডাক্ট ডেস্ক্রিপশন, ওয়েবসাইটের পোস্ট ও নিউজ পেপার এর জন্য প্রয়োজন হয়।

সাম্প্রতিক সময়ে আর্টিকেল রাইটিং জব টা অনেক সহজ হয়ে গেছে। যাদের হাতে স্মার্টফোন তারাও এই কাজটা করতে পারে।আর্টিকেল রাইটিং এর পারিশ্রমিক শব্দের উপর ভিত্তি করে হয়। বাংলা,ইংরেজি, স্প্যানিশ ও আরবি ভাষার আর্টিকেল রাইটার এর চাহিদা বেশি। ৫০০ শব্দের একটা আর্টিকেল সর্বনিম্ন ২৫০ টাকা বিক্রি হয়। ইংরেজি স্প্যানিশ ও আরবি আর্টিকেল এর দাম আরো বেশি।

বাংলা আর্টিকেল বিক্রি করার অনেকগুলো ওয়েবসাইট রয়েছে। আমাদের দেশের বেশিরভাগ আর্টিকেল রাইটার অফ অন আর্টিকেল চুরি করে থাকে। এটা দণ্ডনীয় ও ডিজিটাল আইনের আওতাভুক্ত। অন্যের আর্টিকেল কপি/চুরি করা থেকে আমাদের সম্পূর্ণ বিরত থাকতে হবে।আর্টিকেল অবশ্যই নিজের দক্ষতা ও জ্ঞান দিয়ে লিখতে হবে। ইংরেজি আর্টিকেলের চাহিদা ও দাম অনেক বেশি। ইংরেজি আর্টিকেল যাদের প্রয়োজন তারা আর্টিকেল রাইটার দের খুঁজে বেড়ায়।

ফাইবার, আপওয়ার্ক, ফ্রিল্যান্সার.কম আর্টিকেল রাইটার দের অন্যতম মার্কেটপ্লেস। এই কয়েকটা মার্কেটপ্লেসের মধ্যে আর্টিকেল রাইটিং এর কাজ ফাইবারের বেশি পাওয়া যায়। ফাইবারের একটা আর্টিকেল লিখলে আপনি সর্বনিম্ন ৫ ডলার আয় বা ইনকাম করতে পারবেন। যা বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ৪০০ টাকা। 

ফ্রিল্যান্সিং এর কাজ অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং

ফ্রিল্যান্সিং সেক্টর এর মধ্যে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং সবথেকে সহজ। কারণ অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং শিখতে কোন কোর্স করা লাগেনা। অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং ডিজিটাল মার্কেটিং এর অন্যতম একটি সেক্টর। অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিংও আপনাকে ইলেকট্রনিক মাধ্যমে করতে হবে।

মার্কেটিং বলতে কোন প্রোডাক্টকে প্রচার করা বোঝায়। ডিজিটাল মার্কেটিং হল ইলেকট্রনিক মাধ্যমে কোন অন্যকে প্রচার করা। আর অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং টা ভিন্নরকম। এফিলিয়েট মার্কেটিং বলতে অন্যের প্রোডাক্ট বা পণ্যকে প্রমোট করা। সহজ কথায় একটা কোম্পানির পণ্য বা প্রোডাক্ট বিক্রি করলে কিছু টাকা কমিশন দেওয়া হয় মূলত এটাই আফিলিয়েট মার্কেটিং। বর্তমানে সবাই অনলাইনে শপিং করে থাকে।

অনলাইনে শপিং প্লাটফর্ম এর মধ্যে অ্যামাজন, দারাজ, টেন মিনিট স্কুল অন্যতম।ধরুন আপনার একটা ফেসবুক পেজ/ইউটিউব চ্যানেল রয়েছে। একটা ভিডিওতে প্রডাক্ট রিলেটেড টিউটোরিয়াল তৈরি করলেন। সেই প্রোডাক্টটা অ্যামাজনে পাওয়া যায়।

এখন আপনি সেই প্রোডাক্ট এর লিংক আপনার ভিডিও ডেসক্রিপশন এ দিয়ে দিলেন। আপনার ভিডিওর লিংক থেকে যখন কোন ব্যক্তি ওই প্রোডাক্টটা কিনবেন, তখন আপনি ওখান থেকে ২০% কমিশন পাবেন। এভাবেই অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করে টাকা আয় করা যায়।

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করার আগে আপনার একটা পপুলার ফেসবুক পেজ, একটা ওয়েবসাইট ও ইউটিউব চ্যানেল থাকা দরকার। আপনাকে যখন অনেক লোক অনুসরণ করবে। তখন আপনার অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং টা অনেক সহজ হবে। তাই অবশ্যই অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করার আগে ফেসবুক পেজ ওয়েবসাইটও ইউটিউব চ্যানেল তৈরি করুন।

ফ্রিল্যান্সিং এর কাজ করার মারকেটগুলো  

এই সাইট গুলোতে আপনি কাজ করতে পারবেন। আপনার জিমেইল দিয়ে এখানে  একাউন্ট খুলতে হবে।

 

ফ্রিল্যান্সিং এর সুবিধা এবং অসুবিধা  (Advantages and disadvantages of freelancing) 

 

ফ্রিল্যান্সিং এর সুবিধা

  • নিজের মন মতো কাজের পরিবেশ
  • কাজের স্বাধীনতা
  • নিজের বেতন নিজে ঠিক করা
  • ঘরে বসেই বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সাথে কাজ করা সুযোগ
  • সময়ের স্বাধীনতা 
  • দলগত কাজের সুযোগ
  • পড়ালেখার পাশাপাশি কাজের সুযোগ

ফ্রিল্যান্সিং শব্দটা শুনলেই কেমন মুক্ত মুক্ত লাগে তাইনা? হ্যা ফ্রিল্যান্সিং মানেই আপনি মুক্ত। ফ্রিল্যান্সিং এর সুবিধা সম্পর্কে বলতে গেলে অনেক বলা যাবে। ফ্রিল্যান্সিং এর অনেক সুবিধা রয়েছে তার মধ্যে  সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ সুবিধাগুলো নিচে বর্ণনা করা হলোঃ 

কাজের স্বাধীনতা

এখন মানুষ স্বাধীনতা চায়। পরাধীন হয়ে কাজ করতে চায় না। তাই মানুষ ফ্রিল্যান্সিং কে বেশি পছন্দ করছে। আপনি নিজেই নিজের স্কিল অনুযায়ী  নিজের কাজ বেছে নিতে পারবেন। আপনার যে কাজটি সব থেকে ভালো লাগে সেটিকে বেছে নিতে পারবেন ও চাইলে যতদিন ইচ্ছা ওই কাজ করে যেতে পারবেন উপরে বর্ণিত মারকেতগুলোতে।

নিজের বেতন নিজে ঠিক করা

নিজের বেতন নিজে ঠিক করা বলতে আপনি প্রতিটা কাজের জন্য বায়ারের(যার থেকে কাজ নিয়ে কাজ করবেন তাকে বায়ার বলে) সাথে কথা বলে নিজের বেতন ঠিক করা। আপনার নিজের পেমেন্ট রেট (Payment Rate) আপনি নিজে বেছে নিতে পারবেন।

প্রায় প্রত্যেকটা মার্কেটপ্লেসেই নিজের পেমেন্ট রেট উল্লেখ করার সুযোগ রয়েছে। আপনি যত বেতনে কাজ করতে চান সেটি উল্লেখ করবেন। তারপর আলোচনা করে কাজ নির্ধারণ করবেন। আর এখানে টাকা আপনি নগদে পেয়ে যাবেন বাকি রাখবে নাহ, রাখার সুযোগ নাই। 

ঘরে বসেই বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সাথে কাজ করা সুযোগ

আপনি এই কাজটা ঘরে বা যে কোনো জায়গায়  বসে করতে পারবেন। ফ্রিল্যান্সিং এর ক্ষেত্রে একটি নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠানে কাজ না করে আপনি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে বা বিভিন্ন দেশের ক্লায়েন্টের সাথে কাজ করতে পারবেন। এক্ষেত্রেও ক্লায়েন্ট (Client) বা প্রতিষ্ঠান নির্বাচন পুরোটাই আপনার নিজের উপরে। 

সময়ের স্বাধীনতা 

আপনি এই পেশা সময়ের স্বাধীনতা পাবেন। এ কাজে আপনার সুবিধা অনুযায়ী সময়ে আপনি কাজ করতে পারবেন। এর পুরোটাই নির্ভর করবে আপনার উপরে। আপনি যদি চান আপনি এখন কাজ করবেন না, আপনাকে কেউ জোর করবে না এখন কাজ করতে। তবে যদি আপনার প্রোফাইলে কাজ থাকে সে কাজ কমপ্লিট করতে হবে আর না হয় আপনি পিছে পরে যাবেন।

দলগত কাজের সুযোগ

আপনি চাইলে অনেক কাজ নিয়ে একটা টিম তৈরি করে কাজ করতে পারেন। একক ভাবে কাজের পাশাপাশি এখানে আপনারা দলগত কাজেরও সুযোগ পেয়ে যাবেন।

পড়ালেখার পাশাপাশি কাজের সুযোগ

বর্তমানে পড়ার পাশাপাশি এ কাজের লোক বেশি। আমি নিজেও পড়ার পাশে এটা করি। এই পেশাটি আপনি চাইলে ফুল টাইমও (Full Time) নিতে পারেন আবার পার্ট টাইম (Part Time) হিসাবেও কাজ করতে পারেন। তবে আপনার কাজ পাও্যার জন্য এটাকে ফুল টাইম করাই ভালো। সবসময় অনলাইনে থাকতে হবে। 

নিজের মন মতো কাজের পরিবেশ

নিজের কাজের জায়গাটা নিজের মন মতো সাজাতে পারবেন। আপনি চাইলেই নিজের ইচ্ছা মতো ওয়ার্কস্টেশন (Workstation) বানিয়ে নিতে পারবেন কাজ করার জন্য। আপনার কাজের জায়গা আপনি নিজেই তৈরি করতে পারবেন নিজে যেভাবে চান ঠিক সেভাবে। 

ফ্রিল্যান্সিং এর অসুবিধা 

ফ্রিল্যান্সিং এর সুবিধার পাশাপাশি কিছু অসুবিধাও রয়েছে। স্বাস্থ্যগত বিষয়গুলোই বেশি গুরুত্বপূর্ণ এক্ষেত্রে। চলুন দেখে নিই এর অসুবিধাগুলোওঃ

  1. চোখের সমস্যা- একটানা কম্পিউটার এর সামনে অনেকক্ষণ বসে থাকতে হয় যার ফলে চোখে সমস্যা দেখা দেয়। সে জন্য আপনাকে ডাক্তার দেখিয়ে চশমা নিতে হবে। 
  2. আমাদের যেহেতু সব কাজ বসে করতে হয় সে জন্য আমাদের শরীরের শারীরিক সমস্যা দেখা দেয়। আপনি নিয়ম করে ব্যায়াম করলে আর এ সমস্যা দেখা দিবেন না।  
  3. ফ্রিল্যান্সিং এর ফলে একাকীত্বের মাধ্যমে মানুষ অবসাদগ্রস্ত হয়ে যায় যেটি পরবর্তীতে বড় রুপ ধারন করতে পারে।
  4. ঘুমের সমস্যা- প্রায়শই ঘুমের নানা রকম সমস্যায় সম্মুখীন হন ফ্রিল্যান্সাররা। কারন দেখা যায় আমাদের দেশে যখন রাত, ক্লায়েন্টের দেশে তখন দিন। তাই রাত জেগে কাজ করার ফলে আমাদের ঘুমের সমস্যা হয়। 
  5. ফ্রিল্যান্সেরদের (Freelancer) দীর্ঘ সময় একই জায়াগায় বসে কাজ করতে হয়। এজন্য কোমর, ঘাড়সহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে ব্যাথা সহ বিভিন্ন শারীরিক সমস্যা হতে পারে।
  6. শরিরে মিটামিনের অভাব হয়। বাহিরে না যাওয়ার কারনে রইদ থেকে আমরা দূরে থাকি এবং আমাদের শরির পর্যাপ্ত আলো পায় না। সেক্ষেত্রে ভিটামিন ডি এর অভাব হওয়াটা ব্যতিক্রম কিছু না।
  7. একা থাকার কারনে শয়তানে ধরে আর আপনি অ মাস্টারভিশন করে ফেলেন তাতে আপনার লিঙ্গ ছোট হয়ে যায় এবং অনেক সময় বীর্য কমে যাওয়া সহ অনেক ক্ষতি হতে পারে। তাই নিরবে থাকার সময় কখনো এ কাজ করবেন না।।(লিঙ্গ কিভাবে বড়ো করবেন জেনে নিন)
  8. রাতে গুম কম হওয়ার কারনে আপনার মুখে ব্রনের সমস্যা হতে পারে। জানুন ব্রণ থেকে মুক্তির উপায়>
  9. ফ্রিল্যান্সিং করলে আপনার স্বাভাবিক হাঁটা কম হবে যার কারনে গেস্ট্রিকের সমস্যা হতে পারে। গেস্ট্রিক দূর করার উপায়

ফ্রিলান্সিং নিয়ে কিছু প্রশ্ন এবং উত্তর

 

প্রশ্নঃ ফ্রিল্যান্সিং কিভাবে শিখব? আউটসোর্সিং কিভাবে শিখব?

 

উত্তরঃ ফ্রিল্যান্সিং এ অনেকগুলো শাখা আছে, অর্থাৎ অনেক ধরনের কাজ আছে তার মধ্যে অনেকগুলো কাজ উপরে বলেছি। এখন আপনাকে শিখতে হলে প্রথমে আপনার বুঝতে হবে আপনি কোন বিষয়ে পারদর্শী, সে বিষয় নিয়ে আপনার মারকেটগুলোতে একাউন্ট খুলতে হবে।

আর যদি কোনো বিষয়ে আপনি পারদর্শী না তাহলে প্রথমে youtube থেকে কিছু শিখতে হবে, শিখার পর বেসিক জানলে যে কোনো একটা জায়গায় থেকে আরো ভালো ভাবে দক্ষতা অর্জন করতে হবে তারপর মারকেটগুলোতে একাউন্ট খুলে কাজ নিতে হবে। সে জন্য youtube অনেক ভিডিও আছে।

প্রশ্নঃ ফ্রিল্যান্সিং এর ভবিষ্যৎ কি? What is the future of freelancing?

উত্তরঃ ফ্রিল্যান্সিং এর ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল কারন ফ্রিল্যান্সিং মানেই ঘরে বসে কাজ করা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্ম প্রযুক্তি নির্ভর হবে অনলাইনে মানুষ কাজ করবে। সরাসরি কাজ করা বন্দ হয়ে যাবে। মানুষ নিজ জায়গা হতে কাজ করবে। সুতরাং, ফ্রিল্যান্সিং এর ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল।

প্রশ্নঃ ফ্রিল্যান্সিং করতে কি প্রয়োজন?

উত্তরঃ আপনার কাছে একটি ল্যাপটপ বা কম্পিউটার সাথে ইন্টারনেট সংযোগ থাকতে হবে।

প্রশ্নঃফ্রিল্যান্সিং কি সবাই করতে পারবে?

উত্তরঃ স্কিল আছে এমন সবাই করতে পারবে। আপনার কাজে দক্ষতা অর্জন করতে পারবেন তারপর আপনি ও করতে পারবেন।

আমাদের শেষ কথা ফ্রিল্যান্সিং কি নিয়ে

ফ্রিল্যান্সিং কি নিয়ে এবং এ বিষয় অনেক কিছুই কাভার করেছি। এই পেশার চাহিদা ও জনপ্রিয়তা দিন দিন বেড়েই চলেছে। তাই আপনাকে আগে থেকেই ফ্রিল্যান্সিং পেশায় যুক্ত হতে হবে। ফ্রিল্যান্সিং পেশায় আসার আগে ফ্রিল্যান্সিং বিষয়ক পুরোপুরি ধারণা থাকাটা জরুরি। ফ্রিল্যান্সিং এর কাজ সমূহ, ফ্রিল্যান্সিং কিভাবে শুরু করবেন ও ফ্রিল্যান্সিং কি কি কাজ আছে তা জানা দরকার। 

এই পেশায় আসতে হলে অবশ্যই ফ্রিল্যান্সিং সকল প্রশ্নের উত্তর জানা দরকার।আশা রাখি ফ্রিল্যান্সিং এর কাজ সমূহ টিউটরিয়াল দ্বারা ফ্রিল্যান্সিং পেশা সম্পর্কে জানতে পেরেছেন। ফ্রিল্যান্সিং সেক্টরে অনেকগুলো কাজ রয়েছে। আমি আপনাদের সামনে মাত্র পাঁচটি জনপ্রিয় সেক্টর নিয়ে আলোচনা করেছি।

এই ৫ টি সেক্টরের মধ্যে যেকোনো একটি সেক্টরে সুন্দরভাবে কাজ শিখবেন। কাজ শেখার আগে যে বিষয়টার প্রতি আপনি আগ্রহ ও দক্ষ আছেন, সে সেক্টরে কাজ শেখার সবচেয়ে ভালো হবে।

আজকের এই ফ্রিল্যান্সিং নিয়ে টিউটোরিয়ালটা আপনার কেমন লেগেছে, আমাদের কমেন্ট করে জানাবেন। আমরা সবসময় চেষ্টা করি, আপনাদের সামনে নিত্যনতুন ট্রিকস ও টিপস শেয়ার করার।

এরকম আরো সুন্দর সুন্দর টিউটোরিয়াল পেতে আমাদের ওয়েবসাইটে চোখ রাখুন। এতটা সময় আমাদের সঙ্গে থাকার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ। আশা করি জেনে গেছেন ফ্রিল্যান্সিং কি এ সম্পর্কে। 


Spread the love

Leave a Comment Cancel Reply