শবে মেরাজের কি কোনো আমল আছে?? আমল এবং বিস্তারিত

 

shbe beraj

১। পবিত্র মেরাজ রজনীতে নামাযে এশার পর চার রাকাত করে বার(১২) রাকাত নফল নামায পড়িবেন। ১ম চার রাকাতের প্রতি রাকাতে সূরা ফাতিহার সাথে তিনবার সূরা ক্বদর পড়িবেন। সালাম ফেরানোর পরে বসে সত্তর (৭০) বার “লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহুল মালিকুল হজ্বকুল মুবিন” পড়িবেন। ২য় চার রাকাতের প্রতি রাকাতে সূরা ফাতিহার সাথে তিনবার সূরা নছর (ইাজা নছকল্লাহি ওয়াল ফাত্হ) পড়িবেন।

সালাম ফেরানোর পরে সম্ভব (৭০) বার “লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহুল মালিকুল হক্ববুল মুবিন” পড়িবেন। ৩য় চার রাকাতের প্রতি রাকাতে সূরা ফাতিহার সাথে তিনবার সূরা ইখলাছ পড়িবেন। সালাম ফেরানোর পরে সম্ভব(৭০) বার সূরা আলাম নাশরাহ্ লাকা ছারাকা পড়িবেন।

ফযিলত : এই তারতীবে নামায শেষে মুনাজাতে যেকোন হাজাত/সমস্যা থেকে মুক্তির দোয়া কবুল হবে ইনশা আল্লাহ। ২। পবিত্র মেরাজ রজনীতে নামাযে এশার পর দুই রাকাত করে বিশ(২০) রাকাত নফল নামায পড়িবেন। প্রত্যেক রাকাতে

শবে মেরাজের আমল সমূহ

সূরা ফাতিহার সাথে একবার করে সূরা ইখলাছ পড়িবেন। ফযিলত : ১১ বার দরূদ শরীফ পড়ে মুনাজাত করলে আল্লাহ তা’আলা জান ও মালের হেফাযত করিবেন ইনশা আল্লাহ।

৩। পবিত্র মেরাজ রজনীতে নামাযে এশার পর দুই রাকাত করে চার রাকাত নফল নামায পড়িবেন। প্রত্যেক রাকাতে সূরা

ফাতিহার সাথে সাতাশ(২৭) বার সূরা ইখলাছ পড়িবেন। নামায শেষে সত্রে বার দরুদ শরীফ পড়ে মুনাজাত করিবেন।

শবে মেরাজের আমল সমূহ

ফযিলত : মুনাজাতে গুনাহ্ মাফের দোয়া/প্রার্থনা করলে আল্লাহ তায়ালা তাঁর রহমত ও বরকতে ফরিয়াদকারীর জীবনের গুনাহ্ মাফ করিবেন ইনশা আল্লাহ তা’আলা। ৪। পবিত্র মেরাজ দিবসে নামাযে যোহরের পর একসাথে চার রাকাত নফল নামাজ পড়িবেন। ১ম রাকাতে সূরা ফাতিহার সাথে তিনবার সূরা কদর পড়িবেন। ২য় রাকাতে সূরা ফাতিহার সাথে তিনবার সূরা ইখলাছ পড়িবেন। ৩য় রাকাতে সূরা

ফাতিহার সাথে তিনবার সূরা ফালাক্ব এবং ৪র্থ রাকাতে সূরা ফাতিহার পর তিনবার সূরা নাস পড়িবেন। নামায শেষে

শবে মেরাজের আমল সমূহ

একশত(১০০) বার দরূদ শরীফ ও একশত(১০০) বার ইস্তেগফার (আছতাগফিরুল্লাহা রাব্বি ….) পড়ে মুনাজাত করিবেন।

ফযিলত : যেকোন হাজত/সমস্যার সমাধানের জন্য বহু উপকারী।

• বিঃদ্রঃ পবিত্র রজব মাসের নফল রোযার ফযিলত খুব বেশি। যেকোন দিন রাখতে পারেন তবে বিশেষ করে পবিত্র মেরাজ রজনীর শেষে দিনে নফল রোয় রাখার চেষ্টা করবেন।

ফযিলত : রজব মাসের নফল রোযা হাজার নফল রোযার সাওয়াব তুল্য। আর মেরাজের রোয কবরের আযাব ও দোষখের আগুন থেকে আল্লাহর রহমতে নাযাত দিবে ইনশা আল্লাহ।

উল্লেখ্য যে, এই ফযিলত যে সকল নর-নারী নিয়মিত পাঞ্জেগানা নামায আদায় করেন তাদের জন্য। আল্লাহ তা’আলা সকলকে কবুল করুন, আমিন বিহুরমতে সায়্যিদিল মুরসালিন।

Leave a Comment