মোটা হওয়া

মোটা হওয়ার সহজ উপায়।আপনি মোটা হবেন-ই। Helpful advice 2022

Spread the love

মোটা হওয়ার সহজ উপায় কি:মোটা শব্দের সাথে আমরা অনেকে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। আমাদের মাঝে এমন অনেকেই আছে, যারা এই মোটা শব্দটি নিয়ে অনেক চিন্তিত। এমন অনেক ব্যক্তি আছে যারা মোটা হতে চায় না।

কিন্তু আবার এমন অনেকেই আছেন যারা মোটা হওয়ার উপায় কি তা জানতে চাই। সেজন্য আমি বললাম মোটা শব্দটি অনেকের পছন্দ ও আবার অনেকে অপছন্দনীয়। আপনার প্রতিবেশী বা বন্ধুবান্ধব খুব করে খেপিয়ে থাকে মাঝে মাঝে এই চিকন স্বাস্থ্য নিয়ে। তারা আপনাকে বিভিন্ন প্রকার অপ শব্দের মাধ্যমে বিশেষায়িত করে।

কেউ আছে বংশগত ও জন্মগত ভাবে মোটা হতে পারে না। আবার কেউ কেউ আছে কয়েকটি কারণে সারা জীবন চিকন থেকে যায়। তাই আজকে আমরা জানবো মোটা হওয়ার সহজ উপায় কি, কিভাবে মোটা হওয়া যায় ও মোটা হওয়ার উপায় গুলো কি কি,রোগা থেকে মোটা হওয়ার সহজ উপায় কি?

বেশি চিকন হওয়া বা কম ওজন হওয়া একটি উদ্বেগ হতে পারে আর এটি বেশিরভাগ হয়ে থাকে আপনার খারাপ পুষ্টির জন্য বা আপনি যদি মেয়ে হন তাহলে গর্ভবতী হওয়ার কারনে কিন্তু গর্ভবতী হলে আবার কখনো মানুষ মোটাও হয় এবং সে স্বাস্থ্য পরেও থেকে যায়। 

কিভাবে সুন্দর স্বাস্থ্য করতে পারি?

আপনার ওজন পরিমানের চেয়ে কম হলে, আপনি চিকন হয়ে থাকলে আপনার সবার আগে করনীয় হলো একজন ভালো ডাক্তার দেখানো। আর আমরা এখানে পরীক্ষামূলক অনেক উপায়ের কথা বলবো যে উপায় গুলো ফলো করলে আপনি সহজেই মোটা হতে পারবেন। নিজেকে আরো সুন্দর করে তুলেত পারবেন 

আপনার ওজন কম হলে বা আপনি চিকন হলে মোটা হওয়ার কিছু স্বাস্থ্যকর উপায় এখানে রয়েছেঃ 

মোটা হওয়ার সহজ উপায় কি

মোটা হওয়ার সহজ উপায় জানার আগে আমাদের আগে জানতে হবে, মোটা না হওয়ার কারণ গুলো কি কি। আপনাকে নিচের এই কয়েকটি বদ অভ্যাসগুলো পরিত্যাগ করতে হবে।

  • ঠিকমতো ও সঠিক সময়ে খাবার গ্রহণ না করা
  • মাত্রা অতিরিক্ত ধূমপান ও মদ্যপান করা
  • অধিক পরিমাণে দুশ্চিন্তা করা
  • অতিরিক্ত রাত জাগা
  • শরীরে কোন জটিল অসুখ ও
  • মাত্রা অতিরিক্ত শারীরিক পরিশ্রম করা

আপনি যদি এই ছয়টা অভ্যাস ত্যাগ না করেন, তাহলে কখনই মোটা হতে পারবেন না। 

মোটা হওয়ার সহজ উপায় কি কি কিভাবে আমি মোটা হতে পারবো? 

মোটা হওয়ার সহজ উপায় গুলোকে আমরা দুই ভাগে বিভক্ত করেছি। প্রাকৃতিক উপায়ে মোটা হওয়ার উপায় ও ঘরোয়া উপায়ে মোটা হওয়ার সহজ উপায়। 

  • পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ। 
  • খাবারের ৩০ মিনিট পর পানি পান করুন
  • বেশি বেশি খান
  • পর্যাপ্ত পরিমাণ ঘুম। 
  • ঘুমানোর আগে দুধ মধু খান
  •  নিয়মিত ব্যায়াম করা। 
  • দুশ্চিন্তা মুক্ত থাকা। 
  • ভিটামিন বি কমপ্লেক্স।
  • গুমানোর সময় কিছু নাস্তা করুন

অন্য পোষ্ট: নগদ একাউন্ট সম্পর্কে বিস্তারিত – নগদ একাউন্টের সুবিধা 

ঘরোয়া উপায়ে মোটা হওয়ার সহজ উপায়। 

আপনার শরীরে যখন প্রোটিন ও শর্করার পরিমাণ বৃদ্ধি পাবে। তখন আপনার শারীরিক দুর্বলতা ধীরে ধীরে কেটে যাবে। তখনি আপনার শরীরে আগের শক্তি ফিরে আসবে। আপনার শরীরের কোষগুলো ও মেরুদণ্ডের পরিবর্তন হবে। তাই এই ঘরোয়া উপায় গুলো অনেক কার্যকারী। যে খাবার গুলো মোটা হতে সাহায্য করে সেগুলো নিম্নরূপ:-

বেশি বেশি খান

আপনি যদি দিনে তিনবার খাবার খান এবং একসাথে অনেক খান যাতে মোটা হতে পারেন। এটা ভুল ধারনা এবং আপনি আপনার ক্ষতি করছেন। এক সাথে কখনো বেশি খাবার খাবেন নাহ এতে আপনার শরীর ক্ষতি এবং ইসলাম একসাথে অনেক খেতে নিষেধ করেছেন সাথে ডাক্তাররাও।  

আপনি দিনে তিনবারের জায়গায় ৬ বার খান তবে প্রতি অল্প অল্প করে খান কিন্তু একটু পর পর খাবেন৷ এতে আপনার শরীরের পুষ্টি জমতে সহায়তা করবে। এবং আপনার গ্রেষ্টিকের ও সমস্যা হবে নাহ।

পুষ্টিকর খাবার খান

মোটা হওয়ার সহজ উপায় এ আপনি কিছু খাবার বেঁচে খান।আপনি ডায়েট সোডা, কফি এবং কিছু ক্যালোরি এবং সামান্য পুষ্টির মান সহ অন্য কাবার খাবেন নাহ। এগুলোতে পুষ্টি কম থাকে। এগুলোর পরিবর্তে দুধ এবং তাজা বা হিমায়িত ফল দিয়ে স্বাস্থ্যকর জোস পান করুন। 

খাবারের ৩০ মিনিট পর পানি পান করুন

খাবার খেয়ে সাথে সাথে পানি খাবেন নাহ। প্রথমে একটু পানি খেয়ে শুধু মুখ পরিষ্কার করুন তারপর ২০-৩০ মিনিট পর পানি খান এতে আপনার খাবার ও হজম হলে আপনার গ্রেষ্টিক থাকলে গ্রেষ্টিক দূর হবে

গুমানোর সময় কিছু নাস্তা করুন

বাদাম, চিনাবাদাম,  পনির, শুকনো ফল খান। একটি চিনাবাদাম এবং জেলি স্যান্ডউইচ খান। পারলে সবজি এবং চর্বিহীন মাংস অথবা পনির সহ একটি মোড়ানো স্যান্ডউইচ খান।

ব্যায়াম করুন 

ব্যায়াম, বিশেষ করে শক্তি প্রশিক্ষণ,  আপনার পেশী তৈরি করে ওজন বাড়াতে সাহায্য করতে পারে। ব্যামায় করলে আপনার ক্ষুধাও লাগবে এবং খেতে মন চাইবে।

বাদাম খান 

বাদাম খান

বাদামে রয়েছে প্রচুর পরিমাণ প্রোটিন। আমরা সবাই জানি প্রোটিন আমাদের দেহের ঘাটতি পূরণ করে। আপনি যদি নিয়মিত বাদাম খান, তাহলে আপনার শরীরের ঘাটতি ধীরে ধীরে পূরণ হবে। কিন্তু আপনাকে এই বাদাম গুলো কিন্তু নিয়মিতই খেতে হবে।

অনেক আছে দুই তিন দিন ঠিকঠাকমতো চালিয়ে দেয়, তারপরে আর কোন খোঁজ খবর থাকে না। এরকম করলে আপনি কখনোই মোটা হতে পারবেন না। 

আপনাকে এই জন্য একটা রুটিন সেট করতে হবে। সর্বনিম্ন ৩০ দিনের একটা রুটিন করতে হবে। সেই রুটিন অনুযায়ী আপনাকে বাদাম খেতে হবে। এখন প্রশ্ন হলো আপনি কাচা বাদাম না ভাজা বাদাম খাবেন। দুইটা বাদামি অনেক পুষ্টিকর।

কিন্তু ভাজা বাদামের তুলনায় কাঁচা বাদামের অনেক প্রোটিন রয়েছে। তাই আমি আপনাদের বলব অবশ্যই কাচা বাদাম গুলো ভিজিয়ে খাবেন।

রাতে হাফ কাপ কাচা বাদাম পানিতে ভিজিয়ে রাখুন। তারপর সকালে খালি পেটে এই বাদামগুলো খেয়ে ফেলো। আশা করি এটা আপনার অনেক কাজে লাগবে। আবার অনেকের মতে বাদাম খেলে ত্বক ফর্সা হয়ে থাকে।

আলু খান বেশী করে

মোটা হওয়ার সহজ উপায় কি সেটা আমরা সবাই খুজি কিন্তু আমারা জানি এনা আলু যে আমাদের মোটা হতে সাহায্য করে। আমাদের প্রতিদিনের খাবারে তরকারির মধ্যে আলু থেকেই থাকে। কিন্তু আপনি কি জানেন, মোটা হতে এই আলু অনেক সাহায্য করে। আলুতে রয়েছে পর্যাপ্ত পরিমান প্রোটিন শর্করা। যা খেলে আপনার শরীরের কোষগুলো দিন দিন বৃদ্ধি পাবে। 

মোটা হতে আপনি দুই থেকে তিন বেলা সিদ্ধ আলু খাবেন। সিদ্ধ আলু খেতে যদি কোন সমস্যা হয়, সেক্ষেত্রে আপনি চিপস বানানো খেতে পারেন। সর্বোচ্চ চেষ্টা করুন তিন বেলা খাওয়ার জন্য।

আপনি যখনই সাত দিন একটানা আলু খাবেন। তখন আপনার শরীরের ক্যালরির পরিমাণ বেড়ে যাবে। ক্যালরির পরিমাণ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কার্বোহাইড্রেট এর ঘাটতি পূরণ হবে। যখনই কার্বোহাইড্রেট এর ঘাটতি পূরণ হতে থাকবে, তখনি আপনার শরীর মোটা হতে শুরু করবে। 

কিসমিস

কিসমিস খেতে ছোট-বড় সবাই পছন্দ করে। কিন্তু এই কিসমিস আপনার দেহের ওজন বাড়বে সঠিক খাদ্যাভ্যাসে। কিসমিসে আছে পর্যাপ্ত পরিমাণে গ্লুকোজ ‌। যা দেহের ওজন কে বাড়াতে সাহায্য করে। মোটা হওয়ার সহজ উপায় গুলোর মধ্যে কিসমিস অন্যতম। যারা বডি বিল্ডিং এর সাথে সম্পৃক্ত। তারা প্রতিনিয়ত এই কিসমিস খেয়ে থাকে। কিসমিস দুর্বলতা ঘাটতি পূরণ করে। 

আপনার স্কিন ফর্সা করার উপায়গুলো জেনেনিন

এখন আপনার প্রশ্ন হল কিসমিস কিভাবে খাব। কিসমিস 10 থেকে 15 টা আধা কাপ পানিতে ভিজিয়ে রাখুন। তারপর সকালে উঠে খালি পেটে পানি সহ কিসমিস গুলো খেয়ে ফেল। এটা ওজন বাড়ানোর সাথে আপনার হার্টকে সুস্থ রাখবে। 

তৈলাক্ত খাবার

যে খাবার গুলো মূলত তেলে তৈরি করা হয় তাকে তৈলাক্ত খাবার বলা হয়। আপনার ওজন বাড়াতে এই তৈলাক্ত খাবার গুলো খুবই কার্যকরী। তৈলাক্ত খাবার গুলোর মধ্যে রয়েছে পিয়াজি, নুডুলস, ভাজাপোড়া ইত্যাদি। এই খাবারগুলো আপনি কখন করলে চর্বির পরিমাণ বেড়ে যাবে। চর্বি আমাদের দেহকে মোটা করতে অনেক সাহায্য করে। 

ঘুমানোর আগে দুধ মধু খান

ঘুমোতে যাওয়ার আগে এমন খাবার খান যাতে বেশ পুষ্টিকর এবং ক্যালোরিযুক্ত আছে। কারণ সেটা ঘুমিয়ে পরছেন বলে খরচ হচ্ছে না এবং পুরো রাত আপনার শরীরে ক্যালোরির কাজ করবে এবং ওজন বৃদ্ধি করবে। 

গরুর গোশত 

গরুর গোশতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণ হাইভোল্টেজ ক্যালরি। যদি খুবই দ্রুত মোটা হতে চান, তাহলে অবশ্যই গরুর গোশত নিয়মিত খেতে থাকুন। অল্প সময়ে মোটা হওয়ার দারুণ একটি উপায়। গরুর গোশতে আপনি ক্যালরির সঙ্গে সঙ্গে পাবেন বিভিন্ন ফ্যাট প্রোটিন। যা আপনার ওজন বাড়াতে হেল্প করে। 

খেজুর

খেজুরে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন। দেহকে সুস্থ রাখতে হলে আপনাকে খেজুর খেতে হবে। আর আপনি যদি নিয়ম আছে কি খেজুর পান করেন। তাহলে আপনার ওজন বাড়াতে অনেক সাহায্য করে। কিন্তু আপনাকে গ্রাম অঞ্চলের খেজুর খেলে কিন্তু হবে না।

সৌদি আরব থেকে যে খেজুরগুলো আসে। সেই খেজুরগুলো আপনি যদি একটানা দুই মাস খান। তাহলে আপনার শরীরের পরিবর্তন দেখতে পারবেন।  

দুধ খান 

দুধ রয়েছে অনেক প্রোটিন। যারা তাড়াতাড়ি মোটা হতে চায়, তাদের জন্য দুটো দুধের তৈরি ক্ষীর অনেক কার্যকর। কি ছাড়া বাকি চাই এর দুধের তৈরি দই খেতে পারেন। এছাড়া ওর শরীরের কোষগুলো বৃদ্ধি করতে ঘি অনেক গুরুত্বপূর্ণ। মোটা হতে যে খাবারগুলো সাহায্য করে তার মধ্যে রয়েছে ক্ষীর,পায়েস,দই ও ঘি। এই সব গুলো মূলত দুধ থেকেই তৈরি হয়। 

 

পরিশেষে কিছু কথা।

আশা করি মোটা হওয়ার সহজ উপায় নেই তা জেনে গেছেন। উপরের যে কয়েকটি খাবারের কথা বললে করেছি, সঠিক নিয়ম অনুসারে খাবারগুলো গ্রহণ করবেন। কারণ মোটা বড় সবথেকে কার্যকারী উপায় হল শর্করা জাতীয় খাবার। 

যারা বেশি বেশি খাবার খায় তারা এমনিতেই ধীরে ধীরে মোটা হয়ে যায়। মোটা হওয়ার সহজ উপায় কি নিয়ে আর্টিকেলটি কেমন লেগেছে জানাবেন।


Spread the love

Leave a Comment Cancel Reply